ওয়াশিংটন: লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভ(LA Protest) চরম আকার নেয়। অভিবাসন ইস্যু নিয়ে রণক্ষেত্র এই শহর৷ এবার টেক্সাসেও নামল সেনা৷ টেক্সাসের বিভিন্ন প্রান্তে সেখানকার ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট। এমন কিছু যে হতে পারে, তার আভাস আগেই দিয়েছিলেন গভর্নর অ্যাবট। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ টেক্সাসের কিছু জায়গাতে বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে। তার আগেই টেক্সাসেও মোতায়েন করা হচ্ছে ন্যাশনাল গার্ড।
Read More: রাজাকে খুনের ‘প্ল্যান বি’ও ভেবে রেখেছিল সোনম! তদন্তে উঠে এল সেই পরিকল্পনার ‘ব্লুপ্রিন্ট’
ক্যালিফর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে গত কয়েক দিন ধরে আমেরিকার অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভ(LA Protest) চলছে। শুধু লস অ্যাঞ্জেলেসেই নয়, ক্যালিফর্নিয়ার অন্য শহরগুলিতে, এমনকি অন্য প্রদেশেও ছড়াতে শুরু করেছে বিক্ষোভ। এর মধ্যেই মঙ্গলবার মধ্যরাতে (স্থানীয় সময় অনুসারে) অ্যাবট সমাজমাধ্যমে জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হবে। তবে কোন কোন বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে, তা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেননি তিনি।
গভর্নর অ্যাবটের বক্তব্য, ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আইনি। কিন্তু কোনও ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতি করা বেআইনি। সে ক্ষেত্রে গ্রেফতার করা হতে পারে। টেক্সাসের ন্যাশনাল গার্ড প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে স্থানীয় পুলিশকে সাহায্যের জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ করবে।’’
Link: https://x.com/ekhonkhobor18/status/1932781163690742007
উল্লেখ্য, সংবাদমাধ্যম ‘সিএনএন’ জানিয়েছে, বুধবার এবং শনিবার দক্ষিণ টেক্সাসের বেশ কিছু সংগঠন আমেরিকার অভিবাসন এবং শুল্ক দফতরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে পারে। তার মধ্যে টেক্সাসের স্যান অ্যান্টোনিও শহরে ‘নো কিংস’ নামে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে শনিবার। টেক্সাসের ডালাস শহরেও অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে। এমতাবস্থায় টেক্সাসে মোতায়েন করা হল সেনা।
প্রসঙ্গত, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ লস অ্যাঞ্জেলেস। গত কয়েকদিন ধরে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শহরে নামানো হয়েছে ন্যাশনাল গার্ড। লস অ্যাঞ্জেলেসের পাশাপাশি নিউ ইয়র্ক, শিকাগো, সিয়াটেল, ডেনভার, সান ফ্রান্সিসকো, আটলান্টা-সহ আমেরিকার বিভিন্ন বড় শহরে অভিবাসন এবং শুল্ক দফতরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে।





