ইম্ফল: ১১ মে বিয়ের পরেই সেই মাসের ১৫ তারিখ বাপের বাড়িতে চলে আসে সোনম।(Indore Couple) এরপর চারদিনের মধ্যেই স্বামীকে খুনের পরিকল্পনা করে সে। ক্যাফেতে বসে তার প্রেমিক রাজা সহ তার ৩ বন্ধুর সঙ্গে খুনের ‘ব্লুপ্রিন্ট’ তৈরি করে সোনম। সেখানেই ঠিক হয় প্রথম পরিকল্পনা অর্থাৎ ভাড়াটে খিনিরা যদি স্বামী রাজাকে খুন না করতে পারে তবে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে! এবার তদন্তকারীদের জেরায় উঠে এল সোনমের ‘প্ল্যান বি’।
Read More: স্বচ্ছ রেশন ব্যবস্থায় নয়া নজির, বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিকে পিছনে ফেলল বাংলা
পুলিশ সূত্রে খবর, সোনম স্থির করেছিল, যদি তার প্রেমিকের বন্ধুরা (যাঁদের ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে খুনের সুপারি দেওয়া হয়েছিল), খুন করতে না পারেন, তা হলে নিজস্বী তোলার বাহানায় রাজাকে পাহাড়ের ধারে নিয়ে গিয়ে ঠেলে ফেলে দেবে। পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, রাজা যাতে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে না পারেন, তার জন্যই ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা। আর সেখানেই তাকে খুনের সুযোগও পাওয়া যাবে। এই পরিকল্পনা করেই রাজাকে বুঝিয়ে গুয়াহাটিতে নিয়ে যায় সোনম।(Indore Couple)
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাজার মোবাইল থেকে বেশ কয়েকটি ১০ টাকার নোটের নম্বর মিলেছে। কেন তাঁর মোবাইলে ওই নোটের নম্বর রয়েছে, তার উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতেরা জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছেন। তার পর তাঁর দেহ শিলঙের গভীর খাদে ফেলে দিয়েছিলেন। শিলং পুলিশ লাগাতার জেরা করছে সোনমকে।
Link: https://x.com/ekhonkhobor18/status/1932778522302689396
তবে যে বিষয়টি পুলিশকে স্তম্ভিত করছে সেটি হল, রাজাকে খুনের পর ইন্দোরে গিয়েছিল সোনম। রাজের সঙ্গে দেখাও করে। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের গাজ়িপুরে সোনম তা হলে গেল কীভাবে? ইন্দোর থেকেই কি সেখানে গিয়েছিল? ঘটনা থেকে নজর ঘোরাতেই কি এই পরিকল্পনা? পুলিশ মনে করছে, পুরোটাই সাজানো ঘটনা। পুলিশকে বিভ্রান্ত করতেই এই ছক।
যদিও সোনম বারবার দাবি করে চলেছে, রাজাকে সে খুন করেনি। তবে তাঁর ৪ সঙ্গী খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। এমনকি সোনমের নির্দেশেই যে রাজাকে খুন করা হয়েছে, পুলিশকে সে কথাও জানিয়েছে ধৃতেরা।





