নয়াদিল্লি : খোদ রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই(South Asian University) ঘটে গিয়েছে গণধর্ষণের ঘটনা। প্রশ্নের মুখে পড়েছে ‘ডবল ইঞ্জিন’ প্রশাসন। ঘোর অস্বস্তিতে বিজেপি সরকার। ঘটনার পর থেকেই কার্যত থমথমে সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি। বিশাল ক্যাম্পাসের চারদিকের সব গেটই বন্ধ। তার মাঝেই দেখা গেল ব্যাগপত্তর নিয়ে পড়ুয়ারা কেউ অটোয়, কেউ বা ক্যাবে করে রওনা দিচ্ছেন বাড়ির দিকে।
সারা এলাকা জুড়েই রয়েছে এক দমবন্ধকর পরিস্থিতি। ক্যামেরার সামনে আসতে চাইছেন না প্রায় কেউই। ঘণ্টাখানেক ইউনিভার্সিটির(South Asian University) সামনে দাঁড়িয়ে থেকে যে পড়ুয়াদের বাড়ির দিকে রওনা হতে দেখা গেল, দুই-একজন ছাড়া সবাই মহিলা। কেন হঠাৎ করে বাড়ি ফেরার ধুম? অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তরের এক পড়ুয়া ক্যাবে ওটিপি দিতে দিতে বলছিলেন, “কী বলব দাদা, বাড়ি থেকে খুব চাপ দিচ্ছে। তাই আপাতত ফিরে যাচ্ছি।” কিন্তু কীসের চাপ? “সেটাও বলে দিতে হবে? বুঝতে পারছেন না?”, বললেন আর এক ছাত্রী।
পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে তখন চলছে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়নি কোনও পঠনপাঠন। সব ক্লাস বয়কট করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। ছাত্রছাত্রীদের চাপের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওয়ার্ডেন ড. রিঙ্কু গুপ্তাকে অপসারণ ও সহকারী ওয়ার্ডেন অনুপমা আরোরাকে সাসপেন্ড করেছে। কর্তব্যে গাফিলতি, নির্যাতিতার অভিযোগকে গুরুত্ব না দেওয়া ইত্যাদি অভিযোগের ভিত্তিতে দু’জনের বিরুদ্ধেই শুরু করা হয়েছে বিভাগীয় তদন্ত।





