প্রতিবদেন : সন্ত্রাসবাদে(Terrorism)যে ক্রমাগত মদত দিয়ে চলেছে পাকিস্তান, তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গেল আরও একবার। একই মঞ্চে পাক মন্ত্রীদের পাশে বসে থাকতে দেখা গেল লস্কর-ই-তইবার শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বকে! তাদের মধ্যে একাধিক জঙ্গিনেতা রয়েছে ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায়’।
Read More: প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহে দেরি নিয়ে ক্ষুব্ধ বায়ুসেনা প্রধান, প্রশ্নের মুখে কেন্দ্র
পাশাপাশি, উক্ত জঙ্গিনেতাদের ডেকে তাদের ভূমিকাকেও কুর্নিশ জানিয়েছেন পাকিস্তানের মন্ত্রীরা। গত বুধবার ইয়ুম-ই-তকবিরের একটি অনুষ্ঠানে দেখা যায়, মঞ্চে রয়েছেন পাকিস্তানের খাদ্যমন্ত্রী মালিক রশিদ আহমেদ খান এবং পাঞ্জাব প্রদেশের স্পিকার মালিক মুহম্মদ আহমেদ খান। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ দু’জনেই। ওই মঞ্চেই দেখা যায়, মন্ত্রীদের ঠিক পাশে বসে রয়েছে লস্কর নেতা হাফিজ সইদের পুত্র তালহা সইদ, সইফুল্লা কাসুরি (পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী), আমির হামজার মতো লস্কর জঙ্গি।(Terrorism)
অনুষ্ঠান চলাকালীন লস্কর জঙ্গিনেতাদের মঞ্চে বরণ করে নিতেও দেখা গিয়েছে পাক মন্ত্রীকে। তারপর বক্তৃতা দিতে উঠে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “হাফিজ সইদের মতো ব্যক্তিরাই আজ ২৪ কোটি পাকিস্তানির প্রতিনিধি। পাকিস্তানকে রক্ষা করতে তাদের ভূমিকা প্রশংসনীয়।” ওই মঞ্চ থেকেই মন্ত্রী জানান, মুরিদকেতে লস্কর ক্যাম্পে ভারতের হানায় যে লস্কর কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছে তার ভাইয়ের জন্য চাকরির বন্দোবস্ত করবে সরকার।
Link: https://x.com/ekhonkhobor18/status/1928359892663881990
উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানের দিনই পাকিস্তানে প্রকাশ্যে ভারত-বিরোধী সভা করেছিল লস্কর কমান্ডার সইফুল্লা কাসুরি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে সে বলে, “আমাকে পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী বলে দোষ দেওয়া হচ্ছে, এখন আমার নাম গোটা পৃথিবীতে বিখ্যাত।” ভারতের তদন্তকারীদের ধারণা, পহেলগাঁয়ের হামলার প্রধান সমন্বয়কের কাজ করেছিল লস্কর কমান্ডার কাসুরি। আড়াল থেকে সে-ই সাজিয়েছিল হামলার নীল নকশা।




