বনগাঁ: এসআইআর-এ প্রচুর নাম বাদ গিয়েছে মতুয়াদের। বনগাঁ স্টেডিয়ামে সভা করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার মতুয়াদের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপির বিভেদের রাজনীতকে আক্রমণ করলেন। সভা থেকে মমতার হুঙ্কার, মতুয়াদের নিয়ে রাজনীতি করলে মুখোশ খুলে দেব। পাশাপাশি ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতেও বিভেদের রাজনীতি করছে গেরুয়া শিবির-এদিন সভামঞ্চ থেকে এই অভিযোগ তুলে তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ঠাকুরবাড়িতে রাজনীতি ও মতুয়াদের নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, “যারা আজ ঠাকুর পরিবারে বিভেদ করে ভাবছে ভোটের রাজনীতি করবে, আমি বলছি, বেশি কথা বোলো না। অনিল আম্বানির কেসে কার কার নাম আছে জানি। শুধু বিজেপি করো বলে তোমাদের ঘরে ইডি-সিবিআই আসে না। তৃণমূল করলে কিছু না করলেও ইডি-সিবিআই আসে। মতুয়াদের নিয়ে রাজনীতি করলে মুখোশ খুলে দেব।“
এসআইআর-এর নামে বৈধ ভোটারদের নাম কাটার অভিযোগ তুলে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “কত ভোট কেটেছিল বনগাঁ, বাগদা থেকে? ভোটের আগে বলবে হিন্দু-মুসলমান। আগুন লাগলে আগুন দেখে না ওটা কার বাড়ি। নদীর ভাঙন যখন হয়, জলের স্রোত সকলকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।“ এর পরেই পদ্মশিবিরকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বলেন, “বিজেপিকে বিশ্বাস করা আর গোখরো সাপকে বিশ্বাস করা একই ব্যাপার। বিজেপির মাথায় শুধু বিষ। বিষবৃক্ষ থেকে আম জন্মায় না।“
পাশাপাশি তৃণমূল সুপ্রিমো প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “যাঁদের এখনও কাঁচা বাড়ি আছে, তাঁদের প্রত্যেককে আমরা পাকা বাড়ি করে দেব। যাঁদের বাড়িতে এখনও পানীয় জলের নল পৌঁছোয়নি, সেটা করে দেব। দুয়ারে সরকার দেখেছেন। বুথ লেভেলে ১০ লক্ষ টাকা করে অনুমোদন হয়ে গিয়েছে। কাজ থেমে থাকলেও ওই কাজ হবে। যুবসাথীর টাকা যাঁরা পাননি, তাঁরাও পাবেন। লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য যাঁরা নতুন করে আবেদন করেছেন, তাঁরাও পাবেন। এ ছাড়াও দুয়ারে সরকারের মতো দুয়ারে স্বাস্থ্য করব। ব্লকে ব্লকে ডাক্তার, সিস্টার আসবে। স্বাস্থ্যই সম্পদ।“




