নয়াদিল্লি : শুক্রবার একাধিক দাবিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়ের সামনে ফের বিক্ষোভ দেখালেন বিএলওরা।(BLO) বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির সেই আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত দিনের শেষে বিএলওদের উপর নতুন জারি হওয়া কাজের নির্দেশ প্রত্যাহার করে নিল নির্বাচন কমিশন। বিএলওদের উপর থেকে বাড়তি কাজের চাপ কমানো, এসআইআরের সময়বৃদ্ধি, মৃত ও অসুস্থ বিএলওদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা-সহ একাধিক দাবিতে বেশ কিছু দিন ধরে সিএও দফতরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যরা। বৃহস্পতিবার বেশ কিছু রাজ্যের সময়সীমা বাড়ানো হলেও বাংলায় সময়সীমা বাড়ানো না হওয়ায় এদিন সকাল থেকে জোরালো বিক্ষোভ দেখানো শুরু হয় অবস্থানস্থল থেকে। পরে সেই বিক্ষোভ নেমে আসে পথে।
এদিন স্লোগানের পাশাপাশি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও রাজ্যের সিইইও মনোজ আগরওয়ালের ছবিতে জুতোর আঘাত করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ ব্যারিকেড করে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয়। এ সময় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী ব্যারিকেডের উপর উঠে পড়লে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। বিএলও(BLO) অধিকার রক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশন বাংলার প্রকৃত ভোটারদের বাদ দিতে চাইছে। যে কারণে দিল্লি থেকে একের পর এক পর্যবেক্ষক পাঠানো হচ্ছে। এবং তার দায়টা বিএলওদের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা চলছে। এর প্রতিবাদেরই আমাদের আন্দোলন।’’
বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির একটি প্রতিনিধি দল অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দিব্যেন্দু দাসের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেয়। বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ রাজ্যে এসআইআর পর্বে ফর্ম জমা নেওয়া শেষ হলেও বিএলওদের নিত্য নতুন কাজের ভার চাপানো হচ্ছে। শুক্রবার সকালে বিএলও অ্যাপে ‘সিমিলার ফটো ইলেক্টর ভেরিফিকেশন’ নামে নতুন ফিচার যোগ করে ভোটারদের ছবি মেলানো ও না মিললে ফের ছবি তুলে আপলোড করতে বলা হয়েছে।কাজ শেষ হওয়ার পরও কেন নতুন ফিচার, তা নিয়েই ক্ষোভ বিএলও বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সিইও-র সঙ্গে আলোচনার পর ওই নতুন নির্দেশে ছবি আপলোড করার নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে কমিশন সূত্রে।




