প্রতিবেদন: এবার পর্যটনের শীর্ষের সারিতে উঠে এল বাংলা। কাশ্মীর থেকে রাজস্থান, কেরল থেকে গুজরাট সমস্ত রাজ্যকে টপকে এবার বিদেশি পর্যটকের ভিড়ের নিরিখে দেশের মধ্যে দ্বিতীয়তে বাংলা। শুধুমাত্র দিঘার জগন্নাথধামেই লক্ষ ছাড়াতে অয়ারে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা। এমনটাই মিলছে খবর।
মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই দিঘায় বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা লাখ পেরোবে। এমনটাই জানাচ্ছেন জগন্নাথধামের দায়িত্বে থাকা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। গৌড় পূর্ণিমা উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে নবদ্বীপ-ধাম পরিক্রমা শুরু হচ্ছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে পরিক্রমা। যাতে লক্ষাধিক বিদেশি অংশ নেবেন। মহাপ্রভু ও প্রভুপাদের স্মৃতিবিজড়িত ষাটটি জায়গা ঘুরে পর্যটকদের সিংহভাগ চলে যাবেন দিঘা। দর্শন করবেন সৈকতনগরের জগন্নাথদেবকে। এমনটাই চূড়ান্ত হয়েছে। মে-জুনের মধ্যে ৮৫ হাজার বিদেশি পর্যটক পাবে দিঘা।
ডিসেম্বরের শেষেই দিঘার জগন্নাথধামের দর্শনার্থীসংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দিঘায় বিদেশি পর্যটক গিয়েছেন ১৫ হাজার। রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ করেছে। কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রক প্রকাশিত ইন্ডিয়া টুরিজম ডেটা কম্পেন্ডিয়াম-২০২৫ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ৩১ লক্ষ ২০ হাজার বিদেশি পর্যটক এসেছেন। প্রথম স্থানে মহারাষ্ট্র। তারপরই বাংলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে এবার এক নম্বর হওয়ার দৌড় শুরু করেছে বাংলা।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে ৫২৫.৯২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব হয়েছে। এর মধ্যে এই রাজ্যের পর্যটনকে বিদেশিদের সামনে তুলে ধরার জন্য আন্তর্জাতিক ধাঁচেই ধর্মীয় স্থানগুলিকে জুড়ে পর্যটক সার্কিট গড়া হয়েছে। বাজেটে উল্লেখ, চারশোটিরও বেশি ধর্মীয় স্থানকে একশোটিরও বেশি ধর্মীয় পর্যটন সার্কিটে ভাগ করে জোন ধরে ধরে এগোতে শুরু করেছে পর্যটন দপ্তর। আর সেই সার্কিটের মধ্যমণি করে দেওয়া হয়েছে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরকে। ইতিমধ্যেই, পুণ্যার্থীদের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা, সুরক্ষা সবই আন্তর্জাতিক মানের করা হয়েছে।




