বেজে উঠল বিশ্বকাপের দামামা। আজ থেকে আগামী দেড় মাস ধরে চলবে দেশের সেরা হওয়ার ধুন্ধুমার প্রতিযোগিতা। তার আগে গতকাল রাতে বাকিংহাম প্যালেসে শুরু হল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। যেখানে এক মঞ্চে দেখা গেল দশ অধিনায়ককে।
মধ্য লন্ডনের কেন্দ্রে বাকিংহাম প্যালেসের সামনে ঐতিহ্যপূর্ণ লন্ডন মলে বোধন হল বিশ্বকাপ ক্রিকেটের দ্বাদশ সংস্করণের। বর্ণাঢ্য মার্চপাস্ট না থাকলেও বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হল এক ঘন্টার জমকালো আসরে। ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করলেন দশ অধিনায়ক। চলল ফটোসেশনও।
বাকিংহাম প্যালেসের রাস্তায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে অভিনব ক্রিকেটের আয়োজন করেছিল আইসিসি। ৬০ সেকেন্ড চ্যালেঞ্জ। সেখানে ভিভ নেমে পড়েছিলেন ব্যাট হাতে। সবাইকে অবাক করে এই মজার খেলায় অংশ নিলেন নোবেল পুরস্কারজয়ী মালালা ইউসুফজাই, অভিনেত্রী জয়া এহসান, ফারহান আখতার-সহ আরও অনেকে।
বাকিংহাম প্যালেসের কাছেই মলে চলে মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। যেখানে মঞ্চে উঠে আসেন অধিনায়কেরা। কোহালি মঞ্চে উঠতে হাততালি পড়ে সব চেয়ে বেশি। ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘‘এখানে আসতে পেরে খুব ভাল লাগছে। ইংল্যান্ডে আমাদের ভক্ত সংখ্যা অনেক। দেশ থেকেও প্রচুর মানুষ এসেছেন। বিশ্বের যে কোনও দেশেই আমরা খেলি না কেন, স্টেডিয়ামের পঞ্চাশ শতাংশ দর্শক ভারতীয় হয়। এটা আমাদের কাছে যেমন চাপের, তেমন গর্বেরও।’’
পিটারসেন মুগ্ধ ইংল্যান্ডের ভয়ডরহীন ক্রিকেটে। কেপি বলেছেন, ‘‘ব্যর্থতার ভয় না থাকলে অবিশ্বাস্য সব পারফরম্যান্স করা যায়।’’ ইংল্যান্ড অধিনায়ক অইন মর্গ্যানের প্রশংসা করে কেপি বলেছেন, ‘‘মর্গ্যান খুবই ঠান্ডা মাথার অধিনায়ক। ওর প্রতি সতীর্থদের পুরো সমর্থন আছে।’’
গত বারের চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক হিসেবে ট্রফি আনেন ক্লার্ক। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক মনে করেন, ইংল্যান্ডই এ বার ট্রফি জয়ের দৌড়ে এগিয়ে থাকবে। কিংবদন্তি সুনীল গাওস্করও বলেছেন, ‘‘পরিষ্কার বলছি, এ বারের বিশ্বকাপে ভারত নয়, ইংল্যান্ডই ফেভারিট। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডকে হারানো কঠিন হবে।