কলকাতা : গত শনিবার বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসির সফরকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা ছড়ায় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণ। কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল স্টেডিয়াম। মেসি মাঠ ছাড়তেই গ্যালারি থেকে বোতল ছোঁড়া হয়, ভেঙে ফেলা হয় ব্যানার। তারপর ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে রীতিমতো তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত জনতা। এবার ভাঙচুরের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেফতার করল বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ।(Kolkata Police) জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম শুভ্রপ্রতিম দে ও গৌরব বসু। যুবভারতীতে তাণ্ডব এবং ভাঙচুরের মামলায় তদন্ত চলাকালীনই এদের দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, সোমবার ধৃত দু’জনকে বিধাননগর মহকুমা আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানাবে পুলিশ। এর আগে ইভেন্টের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। যুবভারতী কাণ্ডে সবমিলিয়ে তিনজন গ্রেফতার হয়েছে এখনও অবধি। দু’জনকে গ্রেফতারির পাশাপাশি শতদ্রুর সংস্থার কর্তাদেরও তলব করা হয়েছে। কেবল শতদ্রুর সংস্থা নয়, শনিবার যুবভারতীতে যে বিভিন্ন সংস্থা দায়িত্বে ছিল, তলব করা হয়েছে সেই সংস্থার প্রতিনিধিদেরও। মোট ৬ জনকে মঙ্গলবার থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। জল সরবরাহ, টিকিট বিতরণের মতো কাজের দায়িত্ব ছিল এই সংস্থাগুলির উপর। মেসির সফরের সময় তাঁদের কাজে কোনও গাফিলতি ছিল কিনা, ওই ৬ জনকে সে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ।
প্রসঙ্গত, মেসিকে কলকাতায় আনার প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন শতদ্রু দত্ত। যুবভারতীর বিশৃঙ্খলার পরে শনিবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দুটি মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়। অশান্তি, ভাঙচুর, হিংসা ছড়ানো সহ ভারতী ন্যায় সংহতির ১৯২, ৩২৪ (৪)(৫), ৩২৬ (৫), ১৩২, ১২১ (২), ৪৫, ৪৬ এবং নাশকতামূলক কার্যকলাপ ছড়ানোর ও জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়।(Kolkata Police) শতদ্রুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।




