সামনেই দীপাবলি। আলোর উৎসব। আর তার আগে দেশে কয়লা ক্ষেত্রে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নবান্নে তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কয়লা আমদানিতে বাধ্য করতে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। তবে অন্য রাজ্যের তুলনায় এরাজ্যে পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের দেউচা-পাঁচামি খনি থেকে কয়লা উত্তোলন করতে আরও বছর দুয়েক সময় লাগবে। চাহিদা মেটাতে ততদিন পর্যন্ত তাঁর সরকার কয়লা জোগাড় করবে। ইতিমধ্যেই বেশ খানিকটা জোগাড় করা রয়েছে। তাই অন্য রাজ্যে সমস্যা দেখা দিলেও বাড়তি চাহিদা সত্ত্বেও এ রাজ্যে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়নি। রাজ্যের বিদ্যুৎ বিভাগকেও এর কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এবছর বিদ্যুৎ দফতর সরকারকে ২০০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিয়েছে। কেন্দ্রের তরফে পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে কয়লা উৎপাদনে ১২.৮১ শতাংশ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। কোল ইন্ডিয়ায় উৎপাদন বেড়েছে ১১.৯০ শতাংশ। তার পরেও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিকে চাহিদার ৬ শতাংশ কয়লা বিদেশ থেকে আমদানি করতে বলেছে কেন্দ্র। আগামী বছর মার্চ পর্যন্ত বিদেশ থেকে কয়লা আমদানি করতে বলা হয়েছে। কয়লার চাহিদা অনুযায়ী জোগান নেই বলেই এমন নির্দেশ বলে জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, ইন্দোনেশিয়া থেকে কম দামে কেনা কয়লা, ভারতে বেশি দামে বিক্রি করা নিয়ে অতি সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। সেই নিয়েও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ছে মোদী সরকার।