২০২৪ সালের ৩১ মার্চের পরে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা প্রকল্পটিই আর চালাবে না মোদী সরকার! এবার এমনটাই জানা গেল। তারা প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা প্রকল্পটিতে কিছু রদবদল ঘটিয়ে আবাস সফট প্রকল্প নামে চালাতে চাইছে। অথচ বাংলার যে ১১ লক্ষ উপভোক্তা প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা প্রকল্পের মধ্যে নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন তাঁদের কারোর নাম ওই নতুন প্রকল্পে কেন্দ্র সরকার তুলতে চাইছে না। পরিস্থিতি এমনই যে, ২০২৪ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্র সরকার বাংলার ১১ লক্ষ উপভোক্তার জন্য টাকা না ছাড়লে এদের পক্ষে কেন্দ্রের তহবিলে পাকা বাড়ি না পাওয়া একরকম নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে। ফলে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন রাজ্যের উপভোক্তারা। কেন্দ্র টাকা না দিয়ে যদি এই প্রকল্প তুলে দেয়, সেক্ষেত্রে এই উপভোক্তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সব থেকে বড় কথা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা
বাংলায় এই প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ মূলত তুলেছিল বিজেপি। কিন্তু পদ্মশিবিরের সেই সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্টে এক লাইনও লিখতে পারেনি একটিও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রের টাকা আটকে রাখার সব কৌশলই মুখ থুবড়ে পড়েছে। তবুও আবাস যোজনার টাকা দেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চুপ কেন্দ্র। ২০২৪ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে সারা দেশে যত সংখ্যক বাড়ি তৈরির কাজ এখনও বাকি আছে, তা শেষ করতে হবে। উপভোক্তা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতাই যে একমাত্র মাপকাঠি, সেটা ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। অথচ সেই বাড়ি তৈরির জন্য টাকাই ছাড়ছে না কেন্দ্র সরকার। এই বিষয়ে নবান্নের আধিকারিকদের দাবি, প্রতিটি জেলায় উপভোক্তাদের নাম সঠিক ভাবে যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। যখন যেমন রিপোর্ট চেয়েছিল দিল্লি, তখনই তা পাঠানো হয়েছে। এত কিছুর পরেও টাকা দেওয়ার নামগন্ধ করেনি তারা।