ভোট মিটতেই যে কে সেই! ফের মূল্যবৃদ্ধির কোপ পড়ল আমজনতার কাঁধে। লোকসভা নির্বাচনের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি আটকাতে রপ্তানির উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে মোদী সরকার। ভোট শেষ হতেই সেই নিষেধাজ্ঞাগুলি তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলত বাড়ছে সমস্ত খাদ্যের দাম। রপ্তানি সংক্রান্ত নিষোধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর দাম বেড়েছে চাল ও পেঁয়াজের। সম্প্রতি ভোজ্য তেলের উপর আমদানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে এক ধাক্কায় ২২ শতাংশ। ফলে একমাসের মধ্যে সবধরনের ভোজ্য তেলের খুচরো দাম বেড়েছে কেজিতে ২৫-৩০ টাকা। বিক্রেতারাও বলছেন, একধাক্কায় তেলের দামের এতটা বৃদ্ধি তাঁরা দেখেননি। সাধারণ চালের দাম রাইস মিল স্তরে বেড়েছে কেজিতে ২-৩ টাকা। ৬-৭ টাকার মতো বেড়েছে চালের খুচরো দাম। কিছুদিন আগেও পেঁয়াজ ৫০ টাকায় মিলত, তা এখন ৭০-৮০ টাকায় গিয়ে পৌঁছেছে।
প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের আগে সাধারণ সাদা (আতপ) চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়। নিষোধাজ্ঞাটি এখন উঠে গিয়েছে। সিদ্ধ চালের উপর রপ্তানি শুল্ক কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। এই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ফলে খোলা বাজারে ধান ও চালের দাম বাড়ছে। আগামী দিনে আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। ভোটের কয়েকমাস আগে পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়। ভোটের পর দেওয়া হয় নিয়ন্ত্রিত রপ্তানির অনুমতি। সম্প্রতি ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য তুলে দেওয়া হয়েছে এবং অর্ধেক করা হয়েছে রপ্তানি শুল্ক। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রভাবশালী পেঁয়াজ লবিকে সন্তুষ্ট করতেই এই সিদ্ধান্ত, এমনই মনে করছে ব্যবসায়ী মহল। এদিকে পুজোর মুখে বিভিন্ন সবজির দামও কার্যত আকাশছোঁয়া। স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে মধ্যবিত্ত শ্রেণী।




