পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে দেবীপক্ষ। বুধবার, মহালয়ার দিন থেকেই কলকাতা ও জেলার পুজো উদ্বোধন শুরু করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আবহে তিনি মনে করিয়ে দিলেন, উৎসবের আনন্দ যেমন থাকবে, তেমনই দুর্গতদের পাশেও সকলকে থাকতে হবে। এদিন নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র উৎসব সংখ্যা প্রকাশের মঞ্চ থেকে তা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা। প্রথমে দক্ষিণ, পরে উত্তরবঙ্গের একের পর এক জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। বারবার সেই বিধ্বস্ত মানুষদের কাছে ছুটে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
স্বাভাবিকভাবেই দুর্গোৎসবের ঠিক আগে এই বানভাসি পরিস্থিতি যেন সব আনন্দকে ম্লান করেছে অনেকটা এখনও বহু এলাকা জলের তলায়। সেইসব এলাকার মানুষের কথা মনে করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, “অনেক মানুষ এখনও বানভাসি আছেন। তাঁদের পাশেও থাকুন। যতটা পারবেন তাঁদেরও সাহায্য করবেন।” বন্যা পরিস্থিতিতে মানুষকে বিপদ থেকে উদ্ধারে একদিকে যেমন প্রশাসন দিন-রাত পরিশ্রম করেছে, তেমনই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী, কর্মীরাও। উদ্ধার কাজ থেকে ত্রাণ বিতরণ, সর্বত্র তাঁরা দলনেত্রীর বার্তা অনুসরণ করে সাধ্যমতো পরিশ্রম করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমিও আমার মতো করে চেষ্টা করেছি। আমার দলের সহকর্মীরাও আমাকে অনেকটা সহযোগিতা করেছে।” এই পরিস্থিতিতেও কুৎসা আর অপপ্রচারের অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে বিরোধী দলগুলি। তাদের উদ্দেশ্যেও কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। “যাঁরা মানুষের সেবা করে তাঁরা কাজটা করে নিঃশব্দে। যারা কাজ করে না তারা বকে বেশি। আমি চাই কথা কম, কাজ বেশি— এটাই আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত”, স্পষ্ট জানান তিনি।




