২০১৬ সালের নভেম্বরে নোটবন্দি করে পুরনো ৫০০ টাকা এবং ১০০০ টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নিয়েছিল মোদী সরকার। তারপরেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বাজারে আনে নতুন ৫০০ এবং ২০০০ টাকার নোট। কিন্তু ২০০০ টাকার নোট জাল হওয়াও শুরু হতেই ২০১৮-’১৯ অর্থবর্ষ থেকে তা ছাপা বন্ধ করে দেয় তারা। এবং চলতি বছরের মে মাসেই আরবিআই জানিয়ে দেয়, বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট তুলে নেওয়া হবে। কিন্তু ২০১৬ সালের নোটবন্দির মতো যাতে জনমানসে ‘আতঙ্ক’ না তৈরি হয়, তার জন্য অনেকটা সময়ও দেওয়া হয়েছিল গ্রাহকদের। অবশেষে শুক্রবার আরবিআই বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল, কত ২০০০ টাকার নোট তাদের কাছে জমা পড়েছে। সেই সঙ্গে তারা এ-ও জানিয়েছে যে, ২০০০ টাকার নোট এখনও ‘বৈধ’। তবে তা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় জমা দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৯ মে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছিল, এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ৭ অক্টোবর করা হয়। এই সময়কালের মধ্যে বাজারে থাকা ২০০০ টাকার নোটের ৯৭.২৬ শতাংশ আরবিআইয়ে জমা পড়েছে। যে সময়ে তারা বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করে, তখন বাজারে ছড়িয়ে-থাকা নোটের মোট অর্থমূল্য ছিল ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। তবে ২০০০ টাকার নোট জমা নেওয়ার সেই কাজ এখনও চলবে। কারও কাছে এখনও ২০০০ টাকার নোট থাকলে তিনি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম ফিল আপ করে নোটগুলির নম্বর দিয়ে তা জমা দিতে পারবেন। সেই পরিমাণ টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তবে তিনি অন্য কোনও অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পাঠাতে (ট্রান্সফার) পারবেন না। ব্যক্তির পাশাপাশি সংস্থার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার অ্যাকাউন্টেই জমা পড়বে। অন্য কোনও সংস্থাকে ওই টাকা দেওয়া (ট্রান্সফার) যাবে না।




