বেজে গিয়েছে পুজোর বাদ্যি। রবিবার দেবীপক্ষের শুরু। শারদোৎসবের আবহে মেতে উঠেছে বাঙালি। জোরকদমে চলছে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি। দম ফেলার ফুরসত নেই উদ্যোক্তাদের। বেহালার নূতন দলও তোড়জোড়ে ব্যস্ত। ৫৭ তম বর্ষে পা দিতে চলেছে তাদের পুজো। এবারের থিম ‘আশ্রয়’। ২০০৫ সাল থেকেই থিম পুজোর চল। আর অতিমারী পেরিয়ে এবারের পুজোয় আনকোরা চমক দিতে তৈরি বেহালা নূতন দল। শিল্পী অয়ন সাহা জানিয়েছেন, “ভাঙা-গড়া নিয়েই এবারের আমাদের পুজোর এই থিম। প্রতিমা তৈরিতেও থাকছে অভিনবত্বের ছোঁয়া মাটি ও ধাতু মিলে মিশে একাকার। ধ্বংসের মধ্যে সৃষ্টির ভাবনাকেই মূলত ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে বেহালা নূতন দলের পুজোয়।” প্রতি বছরই নতুন নতুন ভাবনা চিন্তা তুলে থিমের মধ্য দিয়ে তুলে ধরে বেহালা নূতন দল। গত বছর ক্লাবের ঝুলিতে ছিল ২১ টি পুরষ্কার। এবারও পুজোর ভাবনা নিয়ে আশাবাদী উদ্যোক্তারা।
প্রসঙ্গত, গত ২ বছর করোনাভাইরাসের প্রকোপ জনজীবনকে নানা সমস্যায় ফেলেছে। সেই অতিমারীর দাপট কমতেই এবারের পুজো ঘিরে মানুষের মধ্যে চূড়ান্ত আগ্রহ। শহর থেকে জেলার পুজো মণ্ডপে থিমের রমরমা। পুজো যতই এগোচ্ছে শিল্পীদের মধ্যে বেড়েছে ব্যস্ততা। ইউনেস্কোর হেরিটেজ সম্মান পেয়েছে বাংলার দুর্গাপুজো৷ তাই চলতি বছরের দুর্গাপুজোকে ঘিরে উৎসাহ সারা বিশ্ব জুড়েই। নূতন দলের ৪০ লক্ষ টাকা বাজেটের পুজো প্যান্ডেল জুড়েই থাকবে নানান চমক। “ছোট একটি গল্পের অনুকরণে সেজে উঠছে এবারের পুজোর থিম। চারিদিকে বিভিন্ন ধরণের বাঁধন ফুটিয়ে তোলা তোলা হচ্ছে। মূলত হাউসহোল্ড মেটিরিয়ালকে কাজে লাগিয়েই এবারের থিমকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছি। ভাঙা আর গড়া এই দুইয়ের মিলিত রূপকে তুলে ধরা হবে এবারের পুজোয়”, জানিয়েছেন শিল্পী অয়ন সাহা।





