ঝাড়খণ্ড: ভয়াবহ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনায় রোগীসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় ঝাড়খণ্ড থেকে উড্ডয়নের পর বিমানটির সঙ্গে হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পাইলট খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিকল্প রুটের জন্য অনুমতি চেয়েছিলেন।
বিমানে ছিলেন গুরুতর দগ্ধ রোগী সঞ্জয় কুমার, তাঁর দুই আত্মীয়, চিকিৎসক বিকাশ কুমার গুপ্ত, প্যারামেডিক সচিন কুমার মিশ্র, পাইলট বিবেক বিকাশ ভগত এবং কো-পাইলট সবরাজদীপ সিং। রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লি নেওয়া হচ্ছিল। তাঁর শরীরের প্রায় ৬৩ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
বিমানটি সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে বিরসা মুণ্ডা বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। রাত ১০টার মধ্যে দিল্লিতে পৌঁছানোর কথা থাকলেও, দুর্ঘটনা তার আগেই ঘটে। ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, উড্ডয়নের পরপরই আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করে। পাইলট বিকল্প রুটের জন্য কলকাতা বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বিমানটি বারাণসী থেকে প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। কাছাকাছি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে লখনৌ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। রাঁচি বিমানবন্দরের ডিরেক্টর বিনোদ কুমার জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে প্রতিকূল আবহাওয়াকেই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ মনে করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা ব্ল্যাক বক্স, যোগাযোগ রেকর্ড এবং আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমেছে।




