কলকাতা: বঙ্গ রাজনীতির চাণক্যের মৃত্যু! মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে। শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বঙ্গ রাজনীতিতে একটা যুগের অবসান’ বলে মন্তব্য অভিষেকের। পাশাপাশি, তাঁর পরিবার ও পরিজনকে সমবেদনা জানালেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
মুকুল রায়ের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পরই তাঁর ছেলে শুভ্রাংশুকে ফোন করেছিলেন অভিষেক। বড় দাদার মতো কঠিন পরিস্থিতিতে মুকুলপুত্রকে সামলেছেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক স্তম্ভ ছিলেন। সংগঠনের সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।’ পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন অভিষেক।
ইতিমধ্যেই বঙ্গ রাজনীতির বহু নেতা তাঁর মৃত্যুকে শোকজ্ঞাপন করেছেন। তাঁর বাড়ির কাছে ভিড় জমিয়েছেন অনুগামীরা। প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই মুকুল রায় কংগ্রেস ছেড়ে চলে আসেন তৃণমূলে। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া থেকে দিল্লির রাজনীতি। মুকুল রায়ের কর্তৃত্ব দেখেছে দেশ। সাংগঠনিক রাজনীতিতে তাঁর অভিভাবকত্বে রকেটের মতো ছুটেছে তৃণমূল।
১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই ত্রিপুরা, অসম-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও নিজেদের বীজ বপন করে ঘাসফুল। রেলমন্ত্রী ছিলেন তিনি। বিধায়ক পদও সামলেছেন। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালে ফের ফেরেন তৃণমূলে। তবে তারপর আর তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি।




