নয়াদিল্লি: গত ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদের একটি মসজিদে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ঘটনায় নিহত হন ৩১ জন এবং আহত হন ১৬০-এর বেশি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় মসজিদে বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। হামলাকারী প্রবেশের চেষ্টা করলেও নিরাপত্তা গেটে তাকে আটকানো হয়। তবুও বিস্ফোরণ রোধ করা যায়নি। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় আগুনে ঝলসে যাওয়া মানুষের দেহ রাস্তায় ছড়িয়ে আছে।
সূত্রের খবর, এই বিস্ফোরণের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লশকর-ই-তইবা ভারতের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানে হামলার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে মন্দির, গীর্জা ও গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানগুলোকে তারা নিশানা করতে চাইছে। গত বছরের ৯ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার সামনে ঘটে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, যেখানে প্রাণ হারান ১২ জন এবং আহত হন অন্তত ২৪ জন। রাষ্ট্রসংঘের সন্ত্রাস-বিরোধী পর্যবেক্ষণ দল রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, এই হামলার পেছনে রয়েছে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। সম্প্রতি তারা ‘মহিলা ব্রিগেড’ গঠন করেছে, যা ভবিষ্যতে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হতে পারে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোর নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে হবে। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। মন্দির, গীর্জা, সিনাগগ এবং দর্শনীয় স্থাপনাগুলোতে পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। এই ধরনের হামলা শুধু প্রাণহানি ঘটাবে না, দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতাকেও বিপন্ন করবে। তাই সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষ করে বড় ধর্মীয় উৎসব বা জনসমাগমের সময় নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে।




