ঝাড়গ্রাম: কর্ম বিনিয়োগ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা যুবশ্রী প্রকল্পে আবেদন করা ৮৮২ জন প্রাপ্য নাগরিককে খুঁজে বের করতে মাঠে নেমেছেন। অনেকের মোবাইল নম্বর বন্ধ বা পরিবর্তিত হওয়ায় সরাসরি যোগাযোগ করা যায়নি। তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবেদনকারীদের নথি হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং সরকারি ভাতা পাওয়ার বিষয়ে জানানো হচ্ছে।
ঝাড়গ্রামের জেলা কর্ম বিনিয়োগ কেন্দ্রের উপ-অধিকর্তা অরুণাভ দত্ত জামবনি ও লালগড় ব্লকের একাধিক গ্রামে গিয়ে ২১ জন প্রাপ্য আবেদনকারীর সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় আবেদনকারীদের কোন নথি জমা দিতে হবে তা জানানো হয় এবং ভাতা প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়।
২০১৩ সালে জেলা জুড়ে যুবশ্রী প্রকল্পে আবেদন শুরু হয়। বর্তমানে জেলায় ২৬০০ জন এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী। রাজ্য সরকার প্রতি মাসে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা ভাতা প্রদান করে। নতুন বাজেটে ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী যুবকদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
জেলা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনেকের মোবাইল বন্ধ থাকার কারণে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবেদনকারীদের জানানো হচ্ছে যে তারা যুবশ্রী প্রকল্পের সহায়তা পাবেন। অরুণাভ দত্ত বলেন, “অনেকেই ভুলে গিয়েছেন যে তারা আবেদন করেছিলেন। তাই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে সতর্কভাবে জানানো হচ্ছে।”
কেঁন্দুয়াশুলি গ্রামের দাশো কিস্কু বলেন, “অনেকদিন আগে আবেদন করেছিলাম। সরকারি কর্মকর্তা এসে জানিয়েছেন যে যুবশ্রীর সহায়তা পাব। আমি চাষাবাদ করি, তাই এই ভাতা কাজে লাগবে।” বেলপাহাড়ি ব্লকের জামিরাশুড়ি গ্রামের সুশান্ত কল্যাণ জানান, “অনেক আগে আবেদন করেছিলাম। এখন যুবসাথীতে আবেদন করেছি, যুবশ্রী আর দরকার নেই।”




