পুরুলিয়া: গতকালই জানা যায় পুণেতে নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে যাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কথামতোই শুক্রবার পুরুলিয়ায় শ্রমিকের বাড়িতে পৌঁছলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শোকাতুর পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে যাতে দোষীদের কঠোরতম শাস্তি হয় তার জন্যে শনিবার প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছেন তিনি।
দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়ে অভিষেকের হুঁশিয়ারি, আগামী দশদিনের মধ্যে দোষীরা ধরা না পড়লে ৬-৭ জনের প্রতিনিধিদল মহারাষ্ট্রে পাঠানো হবে। বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতোর কাছে অভিষেকের আর্জি, অন্ততপক্ষে একবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করবেন বিজেপি সাংসদ। আর পুরুলিয়ার কুড়মি যুবক খুনের তদন্তের দাবি জানাবেন।
সুখেনের এহেন মৃত্যুর পর আর ভিনরাজ্যে ফিরতে চান না নিহতের দুই ভাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ওই দুই ভাইয়ের পুরুলিয়াতেই চাকরির ব্যবস্থার দাবি জানাবেন অভিষেক। সুখেনের মৃত্যুর প্রতিবাদে শনিবার জেলার প্রত্যেক বিধানসভায় প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।
পরিবারকে সবরকমভাবে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, “আমি শুনেছি ১জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আরও কয়েকজন যুক্ত রয়েছে। যারা এর সঙ্গে যুক্ত যাতে তারা জেলের পর বেল না পান, তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে যেতে হলে যাব। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতেই হবে।” এই প্রসঙ্গে পুণে থেকে পুরুলিয়ায় দেহ ফেরানোর ক্ষেত্রে কীভাবে তৃণমূল নেতারা মৃতের দাদার পাশে দাঁড়িয়েছে, সেকথা জানান অভিষেক।
তাঁর কথায়, “পুণে থেকে দেহ ফেরানো নিয়ে সমস্যা হয়। একবার বলছে ময়নাতদন্ত হবে। একবার বলছে থানায় যেতে হবে। আমরা খবর পাওয়ামাত্র অভিভাবকের মতো ওঁর দাদার পাশে এসে দাঁড়াই। দেহ ফেরানোর জন্য অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করি। কীভাবে মারা গিয়েছেন সুখেন বলতে পারব না। তবে আমার বিশ্বাস প্রকৃত তদন্তে সে তথ্য উঠে আসবে।”




