ডায়মন্ডহারবার: ডায়মন্ডহারবারের নেতড়া গ্রামের ছাত্রী আফ্রিদা খাতুনের জীবনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা ছিল বড় লক্ষ্য। কিন্তু ফর্ম পূরণের নির্দিষ্ট সময় তিনি ছিলেন মুম্বইয়ে, ক্যানসার আক্রান্ত মাসি কাশ্মীরা বিবির চিকিৎসার জন্য। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে নিজের পরীক্ষার ফর্ম জমা দেওয়া হয়নি, ফলে পরীক্ষায় বসা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়।
বাবা নুরুল হুদা মণ্ডলের মৃত্যুর পর থেকেই সংসারের চাপ বেড়েছে। সেই অবস্থায় মাসির অসুস্থতা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে। পরিবারের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন আফ্রিদা। বাড়ি ফিরে জানতে পারেন, ফর্ম না জমা দেওয়ায় তাঁর নাম পরীক্ষার্থীর তালিকায় নেই। তবুও তিনি হাল ছাড়েননি।
পরীক্ষা শুরুর মাত্র দু’দিন আগে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সাহায্যে বিষয়টি পৌঁছে যায় ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। তিনি দ্রুত উচ্চমাধ্যমিক কাউন্সিলের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিশেষ ব্যবস্থার উদ্যোগ নেন। প্রশাসনিক সহায়তায় শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় বসার অনুমতি পান আফ্রিদা। তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারিত হয়েছে ডায়মন্ডহারবার গার্লস স্কুলে।
এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি পেয়েছে তাঁর পরিবার ও শিক্ষকরা। শিক্ষকদের মতে, আফ্রিদা সবসময় মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্রী। সুযোগ পেয়ে সে ভালো ফল করবে বলেই তাঁদের বিশ্বাস।




