শিমলা: তুষারপাত চলেই যাচ্ছে হিমাচলে।(Himachal Pradesh) পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা। মঙ্গলে হিমাচল প্রদেশের কিছু এলাকায় তুষারপাত বাড়তে পারে বলেও জানানো হচ্ছে। এ ছাড়াও হালকা বৃষ্টিরও পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। সঙ্গে দোসর ৪০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, আগামীতে পরিস্থিতি সংকটময় হওয়ার সম্ভাবনা অব্যাহত।
শিমলার আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ২৮ জানুয়ারিতে আবহাওয়া পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে উঁচু এলাকাগুলিতে। যদিও এখনও এই বিষয়ে কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণে ৩০ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবহাওয়ার অবনতি হতে পারে।
মৌসম ভবন জানিয়েছে, লাহুল এবং স্পিতির গোন্দলায় সোমবার রাত থেকে ২২ সেন্টিমিটার তুষারপাত হয়েছে। কুকুমসেরিতে ২১ সেমি, কুল্লু জেলার কোঠিতে ২০ সেমি, কোকসরে ১৯ সেমি, হংসায় ১৫ সেমি এবং কেলঙে ১২ সেমি তুষারপাত হয়েছে। শিমলা, সোলান, কাংড়া, মন্ডী, সিরমৌর, বিলাসপুরস হমীরপুর এবং উনায় ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে শৈত্যপ্রবাহও চলবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, কুল্লু, কিন্নৌর, চম্বা এবং লাহুল এবং স্পিতিতে প্রবল তুষারপাত এবং বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।(Himachal Pradesh)
রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, লাহুল এবং স্পিতি, কিন্নৌর এবং কুল্লু জেলার উপরিভাগে সোমবার রাত থেকে তুষারপাতের পরিমাণ বেড়েছে। এই দুর্যোগের জেরে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি, ওই রাজ্যের শৈলশহরগুলিতে বেড়াতে গিয়ে রাস্তায় আটকে পড়েছেন শয়ে শয়ে পর্যটক। রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী বিক্রমাদিত্য সিংহ জানিয়েছেন, যে সব জায়গায় রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়েছে, সেগুলি পরিষ্কার করে দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা হচ্ছে। স্নো ব্লোয়ার, জেসিবি এনে বরফ সরানোর কাজ চলছে। তুষারপাতের কারণে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন। তাঁদেরও উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।




