প্রতিবেদন: সব নথি থাকা সত্ত্বেও ডাকা হচ্ছে শুনানিতে!(SIR Hearing) আবার কারও অভিযোগ, সংখ্যালঘু হওয়ার কারণেই এসআইআর নিয়ে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন! বারবার শুনানি নিয়ে উঠছে একাধিক অভিযোগ। ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বাংলা। মঙ্গলবারেও একই চিত্র ফুটে উঠল। জেলায় জেলায় বিক্ষোভে নামছেন ভোটাররা৷ পথ অবরোধ থেকে শুরু করে টায়ার জ্বালানোর মাধ্যমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষরা।
শুনানির(SIR Hearing) নামে হেনস্থার প্রতিবাদে পথে নেমেছে আমজনতা। মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট, পোলবা এলাকায় রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয়রা। একের পর এক জ্বালানো হয় টায়ার। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পথে নামে পুলিশ। তাঁদের সামনেও চলে বিক্ষোভ। একই ছবি উত্তর ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
আবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েতে মনোহরপুরের ২৬৯ নম্বর বুথের ১২৪৮ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬৫০ জনই শুনানির নোটিস পেয়েছে। যার মধ্যে সংখ্যালঘু রয়েছে ৬৩০ জন। এরই প্রতিবাদে সকাল থেকেই বিক্ষোভে স্থানীয়রা। বিক্ষুব্ধদের মধ্যে একজন বলেন, “বেছে বেছে মুসলিমদেরই শুনানির নামে হেনস্তা করা হচ্ছে। সেদিন শুনানি কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। মাত্র ২ জন হিন্দুকে ডাকা হয়েছে। বাকি সবাই মুসলিম।” অবিলম্বে কমিশন পদক্ষেপ না করলে বৃহত্তর আন্দোলেনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিক্ষুদ্ধরা।
গত অক্টোবরে রাজ্যে এসআইআর ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ ও জমা দেওয়ার পর প্রকাশিত হয়েছে খসড়া তালিকা। এখন চলছে শুনানি পর্ব। নথিতে সামান্য অসংগতি থাকলেও ডাক পড়ছে শুনানিতে। অসুস্থ থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, কেউই তা থেকে ছাড় পাচ্ছেন না। যা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে তৃণমূল। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন। এসবের মাঝেই শুনানির নামে হয়রানি ও হেনস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বিক্ষোভ দেখাতে পথে নেমেছে বাংলা।




