কলকাতা: রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে অনেক ভোটার দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। বিশেষ করে যারা মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণির অ্যাডমিট কার্ড নথি(Documents) হিসেবে জমা দিয়েছেন, তাঁদের জন্য নির্বাচন কমিশন নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে।
নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মূলত নো-ম্যাপিং বা এনুমারেশন ফর্মে তথ্যের অসঙ্গতি থাকলে ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হয়। এমন বহু ভোটার সেখানে কেবলমাত্র মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন। কমিশনের নতুন নির্দেশনার ভিত্তিতে, এসব ভোটারকে সঠিক নথি(Documents) পুনরায় জমা দিতে হবে। নথি সরাসরি এসআইআর কেন্দ্রে জমা দেওয়া যেতে পারে, অথবা স্থানীয় ব্লক লেভেল অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো যাবে। তবে এর জন্য বিএলও-র অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
নির্বাচন কমিশন আগে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি বা সংশোধনের জন্য মোট ১৩টি নির্দিষ্ট নথির অনুমোদন দিয়েছিল। তাতে মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ছিল না। অনেক ভোটার ধারণা করেছিলেন এটি গ্রহণযোগ্য হবে, এমনকি নাগরিকত্বের জন্যও আবেদন করা হয়েছিল। তবে দিল্লি থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে পাঠানো নোটিশে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
রাজ্য নির্বাচন কমিশন আশ্বস্ত করেছে যে, যারা ইতিমধ্যেই মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন, তারা সঠিক নথি পুনরায় জমা দিলে তা খতিয়ে দেখা হবে। ভোটাররা চাইলে বিএলও-র মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপেও নথি পাঠাতে পারবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ ও হতাশার ঢেউ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিকভাবে এই বিষয়ে সরব হয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে।




