কলকাতা: এসআইআ-এর অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী পূর্ব যাদবপুরের বিএলও((Booth Level Officer) অশোক দাস। এবার এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করলেন মৃত বিএলও-র স্ত্রী সুদীপ্তা দাস। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৮ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, গোটা ঘটনার খোঁজখবর নিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতে বিএলও(Booth Level Officer) অশোক দাসের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বাড়ির লোকজন। তিনি পূর্ব যাদবপুরের মুকুন্দপুর এলাকার অহল্যানগরের বাসিন্দা ছিলেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর এলাকার বহরু হাইস্কুলের সহকারি শিক্ষক ছিলেন। বাংলায় চলা বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআরে বিএলও-র দায়িত্ব পেয়েছিলেন। পূর্ব যাদবপুরের চিতকালিকাপুর এফ.পি. স্কুলের ১১০ নম্বর ভোটকেন্দ্রের বিএলও হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবারই মৃত বিএলও’র দিদি জানিয়েছিলেন, এসআইআর সংক্রান্ত চাপ ছিল। অভিযোগ উঠেছে, এসআইআর-এর চাপেই আত্মঘাতী তিনি। এবার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করলেন তাঁর স্ত্রী। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।ইতিমধ্যেই একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। টেবিল থেকে একটি সাদা কাগজে লেখাটি উদ্ধার করা হয়েছে। নোটে লেখা যে, এসআইআরের চাপ মেনে নিতে পারছি না। আমার শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তাই আমি এই দুনিয়া ছেড়ে মা বাবার কাছে চলে যাচ্ছি।
জানা গিয়েছে, মৃত বিএলওর পরিবারের খোঁজ খবর নিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্থানীয় নেতাদের অশোকের বাড়িতে পাঠিয়েছেন তিনি। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। কী করে এই ঘটনা ঘটেছে তা এখনও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।




