শিলিগুড়ি: যেমন কথা তেমনই কাজ। কথা দিয়েছিলেন শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির তৈরির। সেইমতোই এবার শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি তিনি শিলান্যাস করলেন মহাকাল মন্দিরের। ধ্বনিত হল ‘হর হর মহাদেব’। মহিলাদের শঙ্খ বাজানোর আর্জি জানিয়ে মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী(Chief Minister) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্জিকা দেখে ৪টে১৫মিনিটের পর শুভক্ষণ দেখে এই শিলান্যাসের সময় ঠিক করেছেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন মাটিগড়ায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে মমতা জানান, মন্দির তৈরিতে ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছেন তিনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রী(Chief Minister) অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির হবে এটি। ১৭.৪১ একর জমির উপরে করছি। মহাতীর্থে এক লক্ষ দর্শনার্থী আসতে পারবেন। মূল মন্দির ছাড়াও মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি তৈরি করছি। মূর্তিটির মোট উচ্চতা ২১৬ ফুট। ব্রোঞ্জের মূল মূর্তিটি ১০৮ ফুটের। সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।”
এই মঞ্চ থেকেই সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিয়ে নিজের কাজের খতিয়ান সামনে আনেন মমতা। তিনি বলেন, কালীঘাট মন্দিরেও স্কাইওয়াক করে দিয়েছি। দক্ষিণেশ্বরেও করে দিয়েছি। মন্দির ঢেলে সাজিয়ে দিয়েছে। ভগিনী নিবেদিতা দার্জিলিংয়ে যেখানে মারা গিয়েছেন ওই বাড়িটি আমরা রামকৃষ্ণ মিশনকে দিয়েছি। কলকাতায় যে বাড়িতে ভগিনী নিবেদিতা থাকতেন, ওই বাড়িটিও মিশনের হাতে তুলে দিয়েছি। ঝাড়গ্রামের কনকদুর্গা মন্দির, তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, মাহেশের মন্দিরের সংস্কার করেছি। তেমনই আবার ফুরফুরা শরিফের উন্নয়নে অনেক কাজ করেছি।
এই মর্মে তাঁর বার্তা, “এক আঙুলে কি মুঠো তৈরি করতে পারবেন, পারবেন না। কিন্তু পাঁচটি আঙুল এক হলে পারবেন। তেমন একটি ধর্ম নিয়ে চললে হবে না। আমরা সর্বধর্মে বিশ্বাসী।” পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গকে আরও ৬টি ভলভো বাস উপহার মুখ্যমন্ত্রীর। যেগুলি কলকাতার সঙ্গে উত্তরবঙ্গকে জুড়বে।




