তারুণ্যকে পিছনে ফেলে জয় হল অভিজ্ঞতার। মধ্যপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন নবীন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং প্রবীন নেতা কমলনাথ। শেষ পর্যন্ত কমলনাথের নামেই সীলমোহর দিল কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। অতএব মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন শীর্ষ কংগ্রেস নেতা কমলনাথ৷ সম্ভবত আগামী কাল মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করবেন তিনি।
মধ্যপ্রদেশে কমলনাথের নেতৃত্বে নির্বাচন লড়েছে কংগ্রেস। তাছাড়া প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পিছনে সমর্থন রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিংয়ের গোষ্ঠীরও। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় রাজনীতিতে যুক্ত থাকা কমলনাথের জন্য এটিই ছিল মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার শেষ সুযোগ। অন্যদিকে ছিলেন তরুণ তুর্কি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। রাজ পরিবারের ছেলে সিন্ধিয়া মধ্যপ্রদেশের তরুণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। তাছাড়া প্রচারেও রাহুল গান্ধীর পর সবচেয়ে বেশি সাড়া ফেলেছিলেন তিনিই। অনেকে বলেন, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের প্রচারের অঘোষিত মুখ ছিলেন সিন্ধিয়াই। তাই মুখ্যমন্ত্রী পদের জোরালো দাবিদার ছিলেন তিনিও। তাই জোরালো জল্পনা চলছিল কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী? তবে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে কমলনাথের নামই চূড়ান্ত করল কংগ্রেস। এখন শুধু কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সবুজ সংকেতের অপেক্ষা। তারপরেই আনুষ্ঠানিকভাবে কমলনাথের নাম ঘোষণা করবে কংগ্রেস।
প্রসঙ্গত, ২৩০ আসনের মধ্যপ্রদেশে ম্যাজিক ফিগার ১১৬। কংগ্রেস পেয়েছে ১১৪ টি আসন। বসপা-র সমর্থন নিয়ে মধ্যপ্রদেশে সরকার গড়তে চলেছে তারা।




