দিল্লিতে মোদী সরকারের বিদায় ঘণ্টা বাজল। সংসদ ভবন থেকে সোনিয়া-রাহুল মমতা-শারদ-চন্দ্রবাবু-স্ট্যালিনের যৌথ ঘোষণাপত্র জারি করা হল মোদী হটাও দেশ বাঁচাও। একুশটি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে এই ঘােষণাপত্রে জানিয়েছেন দেশের সামনে তাঁরা একা বিকল্প অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে নামবেন শীঘ্রই। বৈঠকে উত্তরপ্রদেশের মায়াবতী ও অখিলেশ হাজির না হলেও শীর্ষ বিরােধী নেতাদের ধারণা ওঁরাও যোগ দেবেন। কেননা, এই বৈঠক শেষ বৈঠক নয়। অন্যতম প্রধান দাবি ইভিএম বদলে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট করার। বৈঠকে গৃহীত যৌথ ঘােষণাপত্রে বলা হয়েছে-আমরা ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল সহমত হয়েছি যে শক্তি দেশের সংবিধানকে ধ্বংস করছে, এবং গণতন্ত্রের নামে তামাশা করছে তাদের বিরূদ্ধে লড়ব। এতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর নাম উল্লেখ না করে বলা হয়েছে এক নয় রাজনৈতিক ইশতেহার যাতে বলা হয়, এমন সরকার হওয়া উচিত যারা শ্রমিক কৃষক মহিলাদর প্রতি দরদি হবে এবং তাদের সুখে-দুঃখে দেবে।
ওবিসি-তফসিলি জাতি উপজাতিদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সমস্যা সমাধান করবে। আরও বলা হয় আমরা এমন সরকার চাই না যে ধোঁকা দেবে-মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেবে। সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বকীয়তা বজায় রাখবে এবং দেশ থেকে ভীতির মহল দূর করবে। ভারতে এমন সরকার প্রয়ােজন যাঁরা আর্থিক প্রগতি আনবে এবং ব্যাঙ্ক প্রতারকদের সাজা দেবে। নােটবাতিল ও জিএসটি থেকে ছােট মাঝারি ব্যবসায়ীদের দুর্দশা থেকে মুক্তি দেবে। ভারতে এমন সরকার চাই যারা কেবলমাত্র ইতিহাস বদলানােয় এবং শহরের নাম বদলানােতে ব্যস্ত থাকবে না। এই রাজনৈতিক দলগুলি মনে করে ইভিএমের মাধ্যমে এক অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে ভোটারের মধ্যে। তাই ইভিএম বদলানো অবিলম্বে চাই।
এই একুশ দল দেশের সব প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলিকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয় অনতিবিলম্বে তারা একটি অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকাশ করবেন। সেটাই হবে মূল মন্ত্র। যার মাধ্যমে দেশের আরএসএস-বিজেপি মদতপুষ্ট সরকারের পতন নিশ্চিত করা।




